চট্টগ্রামে আমার বাংলাদেশ পার্টি-এবি পার্টির ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এবি পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট গোলাম ফারুক বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে এবি পার্টি একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে পুরাতন বন্দোবস্ত গ্রহণযোগ্য নয়। এবি পার্টির জাতীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর যুগ্ম আহ্বায়ক ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ছাত্র জনতা চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলবাজি ও খুনখারাবির রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে আসা চট্টগ্রামের বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, লেখক, বুদ্ধিজীবীদেরকে তিনি ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ২০১৯ সাল থেকে জন আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ ও এবি পার্টি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ময়দানে যে কথাগুলো বলে আসছে তার উপরে ভিত্তি করে ২০২৪ সালে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থান সংঘঠিত হয়েছে, তার প্রমাণ আমরা ছাত্র জনতার দেওয়ালে দেওয়ালে লেখা গ্রাফিতিতে আমরা দেখতে পাই। এবি পার্টির দ্বিতীয় প্রজন্মের রাজনীতি ও সমস্যার সমাধানের রাজনৈতিক অ্যাপ্রোচ অন্যান্য ও স্বতন্ত্র। যা বাংলাদেশের মানুষ ও তরুণ যুবকদেরকে আকৃষ্ট করছে। শুভেচ্ছা বিনিময় করতে আসা জনসংগতি আন্দোলন চট্টগ্রাম অঞ্চল সমন্বয়ক হাসান মারুফ রুমি স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্যে ২০১৯ সাল থেকে এবি পার্টির নেতৃবৃন্দের সাথে তার যোগাযোগের বিষয়টি উল্লেখ বলেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা জোবায়ের আল মানিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়গুলোতে এবি পার্টির নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা ও একসাথে আন্দোলন করার বিষয়টি উল্লেখ করেন। গন অধিকার আন্দোলনের চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, আমরা এবি পার্টিসহ ২০১৮ সাল থেকেই রাজপথে আছি, সামনের দিনগুলোতেও এবি পার্টির সঙ্গে থাকবো। এবি পার্টির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর সদস্য সচিব এডভোকেট সৈয়দ আবুল কাশেম বলেন, কেন্দ্রীয় আকর্ষনে যেভাবে চারপাশের বিষয়গুলো কেন্দ্রের দিকে ধাবিত হয়, তেমনি এবি পার্টির বয়ানের আকর্ষনের বাংলাদেশের মানুষদের হৃদয়ে এবি পার্টি পৌঁছতে সক্ষম হবে।
বিকেল ৪ টা থেকে শুরু হওয়া “শুভেচ্ছা বিনিময়, কেক কাটা ও স্মৃতিচারণ” অনুষ্ঠান রাত ৯ টায় শেষ হয়। কাজির দেউড়িস্থ এবি পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত স্মৃতিচারণে অংশগ্রহণ করেন, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় সহ মুক্তিযোদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক হায়দার আলী চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর যুগ্ম সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম বাবুল, সহকারী সদস্য সচিব ও এবি যুব পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর সমন্বয়ক আব্দুর রহমান মনির, সহ সমন্বয়ক মোহাম্মদ জাবেদ, চট্টগ্রাম মহানগর যুবনেতা রোটারিয়ান ওমর ফারুক, বাকলিয়া থানা সমন্বয়ক মোহাম্মদ আজগর, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ সোহরাব হোসেন, ব্যবসায়ী নেতা রেজাউল করিম, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এরশাদ হোছাইন, ছাত্র নেতা তারেকুল ইসলাম, সাইদুর রহমান, জুনায়েদ আল হাবীব, যুবনেতা নাজমুল হক, নোমান বিন হোসাইন, বাকলিয়া থানা নেতা জাহেদুল ইসলাম, শ্রমিক নেতা মোঃ রুবিন, যুবনেতা রুপস বড়ুয়া রাজু, সঞ্চয় চৌধুরী, নাছির উদ্দিন প্রমূখ।




