বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১৯তম কারাবন্দি দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রামের পটিয়ায় আলোচনা সভা দোয়া মোনাজাত ও ইফতার মাহফিল করেছে পটিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি।
শুক্রবার (৭ মার্চ) বিকেলে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও পটিয়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এনামুল হক এনামের কৈয়গ্রামস্হ বাস ভবনে এ দোয়া মোনাজাত ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে পটিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এনামুল হক এনাম।
এনাম বলেন, তারেক রহমানকে যখন কারাগারে নিক্ষেপ করা হয় তখন তিনি ছিলেন একজন উদীয়মান রাজনীতিক। এরপর কেটে গেছে আরও প্রায় দুই দশক। এই সময়ের মধ্যে রাষ্ট্রের বিকাশ-বিচ্যুতি দেখেছেন। রাজনীতির মাঠে খেলেছেন প্রতিপক্ষের সঙ্গে। দলকে সুসংগঠিত করে স্বৈরাচার হাসিনার বিরুদ্ধে করেছেন লাগাতার লড়াই-সংগ্রাম। তার নেতৃত্বে দল হয়েছে অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় শক্তিশালী। সবশেষ চব্বিশের হাসিনা পতন আন্দোলনে তিনি ও তার দল বিএনপি সর্বোচ্চএদেশের মুক্তিকামী আপামর জনতার প্রিয় নেতৃত্ব। শক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন মাঠে। জনগণের মৌল-মানবিক অধিকার নিশ্চিত করতে অকাতরে প্রাণ বিসর্জন দিয়েছে তার দলের অসংখ্য নেতাকর্মী। এসব কারণে রাজনীতিক তারেক রহমান এখন আর কোনো নির্দিষ্ট দল-মতের মানুষের নেতা নন। তিনি এদেশের মুক্তিকামী আপামর জনতার প্রিয় নেতৃত্ব।
২০০৭ সালের এই দিনে কোনো পরোয়ানা, মামলা, জিডি, এমনকি সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ ছাড়াই বিতর্কিত সেনা সমর্থিত মঈনউদ্দিন ও ফখরুউদ্দিনের সরকার জরুরি বিধিমালায় গ্রেফতার করেন তারেক রহমানকে।
বস্তুত ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ের পর তারেক রহমান দেশি-বিদেশি যড়যন্ত্রকারীদের টার্গেট হন। ১/১১থর জরুরি অবস্থাকালীন দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা তাদের সে টার্গেট বাস্তবায়নের অপচেষ্টা করে। তাকে শুধু রাজনৈতিক ময়দান থেকে নয় দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলে। অন্যদিকে তার চরিত্র হরনের জন্য চলে গোয়েবলসীয় কায়দার মিথ্যাচার। অথচ সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুই বছর ও বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের টানা প্রায় ১৬ বছরে রাষ্ট্রীয় সর্বশক্তি দিয়ে টাস্কফোর্স, এনবিআর, দুদকসহ সরকারের সব সংস্থাই দেশে-বিদেশে অনুসন্ধান করেও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, চাঁদা দাবি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের কোনো অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি। তার বিরুদ্ধে সারা দেশে ৮৩ মামলা করার তথ্য মেলেছে। গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর একেক করে মামলাগুলো নিষ্পত্তি হয়ে গেছে।
সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন পটিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব খোরশেদ আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া পৌরসভার বিএনপির সদস্য সচিব গাজী তাহের,পটিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মঈনুল আলম ছোটন, মোজাম্মেল হক চৌধুরী, উপজেলা যুবদলের সদস্য অহিদুল আলম চৌধুরী পিবলু ,যুবদল নেতা কামাল উদ্দিন, সাজ্জাদ হাসান,গাজী দুলাল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ওবায়দুল হক রিকু, সদস্য সচিব জাহেদুল ইসলাম, উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবু নোমান চৌধুরী লিটন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম হোসেন নয়ন, শাহাদাত হেসেন, জেলা ছাত্রদলের সদস্য রাসেল,খলিল মীর কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন রুবেল, সদস্য সচিব এমরান হোসেন জীবন, কামরুল হাসান জুয়েল, সেকান্দর বাদশা ডেভিড, কাইসার আলম, মনির উদ্দিন নয়ন, সৌরভ, ইমরান হোসেন,সাকিল,আলী হোসেন প্রমুখ।




